সয়াবিনের তুলনায় দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারতে গত মৌসুমে পাম অয়েল আমদানি কমে গিয়েছিল ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে (নভেম্বর-অক্টোবর) দেশটিতে ভোজ্যতেলটির আমদানি ২০ শতাংশ বাড়তে পারে।
ভারতের সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (এসইএ) প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব অস্থানা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সাম্প্রতিক দরপতনের পর অন্যান্য ভোজ্যতেলের তুলনায় পাম অয়েলের দাম এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক। এ কারণেই আমদানি চাহিদা বাড়ছে। নতুন মৌসুমে ভারতে পাম অয়েলের মোট আমদানি পৌঁছতে পারে ৯৩ লাখ টনে।
বিশ্বে শীর্ষ ভোজ্যতেল আমদানিকারক দেশ ভারত। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশটিতে পাম অয়েল আমদানি বেড়ে গেলে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো প্রধান উৎপাদনকারী দেশে মজুদ কমতে পারে। ফলে ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলেও মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
তথ্য অনুযায়ী, ভারত এর আগের বিপণন বর্ষে মোট ৭৫ লাখ ৮০ হাজার টন পাম অয়েল আমদানি করেছিল, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে পাম অয়েল সয়াবিন তেলের তুলনায় প্রতি টনে প্রায় ১০০ ডলার ও সূর্যমুখী তেলের তুলনায় ২০০ ডলারের বেশি ছাড়ে বেচাকেনা হচ্ছে। এ কারণে ভারতীয় রিফাইনারি কোম্পানিগুলো আগামী মাসগুলোর জন্য নতুন চালান বুকিং দিচ্ছে।
ভারতে নতুন মৌসুমে সয়াবিন তেল আমদানি গত বছরের রেকর্ড ৫৪ লাখ ৭০ হাজার টনের তুলনায় কিছুটা বাড়তে পারে। তবে সূর্যমুখী তেল আমদানি ২০-২৫ লাখ টনে নেমে আসতে পারে। যা আগের বছরের ২৯ লাখ টনের তুলনায় কম।